২০২৩ সালের এশিয়ান গেমসে প্রথমবারের মতো পদক জিতেছে বাংলাদেশ। এর ঠিক একদিন আগে সেমিফাইনালে ভারতের কাছে হতাশাজনক পরাজয়ের মুখোমুখি হয়েছিল বাংলাদেশ। মাত্র ৫১ রানে গুটিয়ে যায় তারা, ৮ উইকেটের পরাজয়ের কাছে হেরে যায়। যাইহোক, তারা দ্রুত একটি উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন ের স্ক্রিপ্ট লিখতে ফিরে আসে।

ব্রোঞ্জ পদকের লড়াইয়ে বাংলাদেশের বোলাররা আধিপত্য বিস্তার করে পাকিস্তানকে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৯ উইকেটে ৬৪ রানে আটকে দেয়। লেগ স্পিনার শর্না আক্তার ১৬ রানে ৩ উইকেট এবং বাঁহাতি স্পিনার সানজিদা আক্তার মেঘলা ১১ রানে ২ উইকেট নেন। লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে পাকিস্তানের বাঁহাতি স্পিনার নাশরা সান্ধু প্রথমে তিনটি গুরুত্বপূর্ণ উইকেট নিয়ে চাপ প্রয়োগ করেন।

বাংলাদেশের দুই পেসার মারুফা আক্তার ও নাহিদা আক্তার পাকিস্তানের ইনিংসের শুরুতেই আঘাত হানেন। দুই ওপেনারই প্রথম দুই ওভারের মধ্যে আউট হয়ে যান, যার ফলে পাকিস্তান পুনরুদ্ধারে হিমশিম খাচ্ছে। আলিয়া রিয়াজ ১৮ বলে ১৭ রান করে পাকিস্তানের সর্বোচ্চ রান সংগ্রহকারী এবং অধিনায়ক নিদা দার ১৮ বলে ১৪ রান করেন।

জবাবে দুই ওপেনার শামিমা সুলতানা ও সাথী রানী ১৩ রানের জুটি গড়েন। মাঝখানে কিছু বাধা সত্ত্বেও, শোর্না আক্তার দায়িত্ব গ্রহণ করেন এবং বাংলাদেশকে ঐতিহাসিক জয়ের দিকে পরিচালিত করেন। রিতু মনি (৭) ও সুলতানা খাতুনের (অপরাজিত ২) সঙ্গে ছোট খাটো পার্টনারশিপ ব্রোঞ্জ পদক অর্জনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

এই জয় বাংলাদেশের ক্রিকেট ইতিহাসে হাংঝু গেমসে গৌরব ও বিজয়ের মুহূর্ত হিসেবে লেখা থাকবে।